প্রতিটি জেলায় কিছু না কিছু বিখ্যাতা খাবার আছে যেমনঃ
১.সিলেটে কমলালেবু,চা,সাতকড়ার আচার।
২.রংপুরে আছে তামাক, ইক্ষু।
৩.দিনাজপুরে লিচু,কাটারিভোগ চাল,চিড়া, পাপড়।

তেমনি মেহেরপুর জেলায় কিছু খাবার আছে
সাবিত্রি আর রসকদম্ব।
সাবিত্রি মিষ্টি খেতে দারুণ, একবার খেলা বারবার মন চাই। দামে সস্তা ভরায় আত্না।
আপনি যদি কখনো এই সাবত্রি মিষ্টি খান,তাহলে কখনো এর স্বাধ ভুলবেন না

সাবিত্রি মিষ্টির বিশেষ জানতে চাইলে,পুরো লেখাটা পড়ুন| ↓
মজার ব্যাপার হল:
অনেক সাবিত্রি মিষ্টি কে অনেক আবার সামি-ইস্তি বলে ডাকে।
মিষ্টি প্রায় ৩০০/৪০০ বছরের পুরনো। এর নাম ডাক এতোটুকু কমেনি, বরং আরও অনেক বেড়েছে। একবার খেলে স্বাদটা জিবে লেগে থাকে।

মিষ্টি সম্পর্কে কিছু কথা,,,,,
মুঘল সাম্রাজ্যের আমল থেকে তৈরি হচ্ছে
এই ছোট্ট মেহেরপুর জেলায় সাবিত্রি মিষ্টি
প্রথম তৈরি করেন বসু দেব এর পিতা তার পরে তিনি নিজে আর শেষে তার নাতি শিখে নেয়
মিষ্টি তৈরির প্রক্রিয়া

রসকদম্বের মূল উপাদান ছানা, ক্ষীর, চিনি ও পোস্ত।
তবে পোস্তর দাম বাড়ার কারনে চিনি, গুড় ব্যাবহার করে।
কিন্তু মেহেরপুর জেলায় এমন হয়না, পোস্ত দাম বাড়লেও তারা পোস্তই ব্যাবহার করেন।

মিষ্টি ব্যাবহার হয়,,,,,,
ঈদ,বিয়ে বাড়িতে,জন্মদিনে,সুন্নতে খৎনা বাইরে থেকে লোক আসলে তাদের প্রতি সম্মান জানতে মিষ্টি ব্যবহার করা হয় ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মিষ্টি না থাকলেই নয়।

এতো নাম ডাক এই মিষ্টির নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে দোকানটা দেখতে কেমন হবে
নিশ্চয়ই ভাবছেন অনেক বড়। ফাইভস্টার হটেল এর মতো।
কিন্তু না দোকানটা একদম ছোট ছিমছাম।
দেখলে মনে হবে না,এটাই সেই বিখ্যাত মিষ্টির(সাবিত্রি)দোকান।
তবে মিষ্টির এই ভালোবাসা টিকিয়ে রেখেছে তরুণ প্রজন্মরা।
এভাবেই সারা দেশে সাবিত্রি সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।

এগুলো জানার পর আপনার অনেক প্রশ্ন জাগতে পারে।
১.সাবিত্রীর স্বাদ আসলে কেমন?
২.দেখতে কেমন সাবিত্রী?
৩.কেন এত নাম ডাক?
৪.কী করে এতকাল টিকে আছে?
আপনি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বা জানতে সম্প্রতি মেহেরপুর জেলায় চলে আসুন আপনার প্রশ্নের উত্তর গুলো অপেক্ষা করছে,
আর হ্যাঁ মিষ্টি মুখ করে যান।সাবিত্রীতে বিশেষ কী আছে?
আপনি কিছুটা অবাক হবেন জানার পর।
এতে বিশেষ কিছু নেই। দুধ চিনি জাল দিয়েই করা। হাতের গুণাগুণ থাকতে পারে।

সুত্রঃ Shahariar Gangni Meherpur

Leave a Reply